32. বর্সিল্লয় খুব বুড়ো হয়ে গিয়েছিলেন; তাঁর বয়স ছিল আশি বছর। রাজা যখন মহনয়িমে ছিলেন তখন তিনিই তাঁর জন্য খাবার-দাবারের ব্যবস্থা করেছিলেন, কারণ তিনি খুব ধনী লোক ছিলেন।
33. রাজা বর্সিল্লয়কে বললেন, “আমার সংগে পার হয়ে এসে যিরূশালেমে আমার কাছে থাকুন। আমিই আপনাকে পালন করব।”
34. কিন্তু উত্তরে বর্সিল্লয় রাজাকে বললেন, “আমি আর কয় বছরই বা বাঁচব যে, আমি রাজার সংগে যিরূশালেমে যাব?
35. আমার বয়স এখন আশি বছর। কোনটা ভাল আর কোনটা মন্দ তা কি এখন আর আমি বলতে পারি? আপনার দাস আমি এখন যা খাই তার স্বাদ কি আমি বুঝতে পারি? গায়ক-গায়িকাদের গান কি আমি এখনও শুনতে পাই? আপনার এই দাস কেন আমার প্রভু মহারাজের একটা বাড়তি বোঝা হবে?
36. মহারাজ কেন আমাকে এইভাবে পুরস্কার দেবেন? না, না, আমি মাত্র আপনার সংগে যর্দন পার হয়ে যাব,
37. তারপর আমাকে ফিরে যেতে দিন যাতে আমি নিজের বাড়ীতে আমার মা-বাবার কবরের কাছে মরতে পারি। এই দেখুন, আপনার দাস কিম্হম; সে-ই আপনার সংগে যর্দন পার হয়ে যাক। আপনার যা ভাল বলে মনে হয় তার প্রতি আপনি তা-ই করবেন।”
38. রাজা বললেন, “ঠিক আছে, কিম্হম আমার সংগে নদী পার হয়ে যাবে, আর আপনি যা চান আমি তার প্রতি তা-ই করব। এছাড়া আপনি আমার কাছ থেকে যা চান আপনার জন্য আমি তা-ই করব।”
39. এর পর সমস্ত লোক নদী পার হয়ে গেল, তারপর রাজা নদী পার হলেন। রাজা বর্সিল্লয়কে চুম্বন করে আশীর্বাদ করলেন আর বর্সিল্লয় আবার নদী পার হয়ে নিজের বাড়ীতে ফিরে গেলেন।
40. এইভাবে যিহূদার সমস্ত লোক এবং ইস্রায়েলের কিছু লোক রাজাকে নদী পার করে নিয়ে আসল। তারপর রাজা গিল্গলে গেলেন আর কিম্হমও তাঁর সংগে গেল।
41. ইস্রায়েলের বাকী লোকেরা রাজার কাছে এসে বলল, “কেন আমাদের ভাই যিহূদার লোকেরা আপনাকে চুরি করে নিয়ে আসল? তারা আপনাকে, আপনার পরিবার ও আপনার সংগের সব লোকদের নদী পার করে নিয়ে আসল কেন?”
42. উত্তরে যিহূদার সব লোকেরা ইস্রায়েলের লোকদের বলল, “রাজার সংগে আমাদের নিকট সম্বন্ধ রয়েছে বলে আমরা তা করেছি। তোমরা কেন এতে রাগ করছ? আমরা কি রাজার কোন খাবার থেকে কিছু খেয়েছি? নাকি তিনি আমাদের কিছু উপহার দিয়েছেন?”