31. অব্বীয়েরা করল নিভস ও তর্তকের মূর্তি আর সফর্বীয়েরা অদ্রম্মেলক ও অনম্মেলক নামে সফর্বয়িমের দেবতাদের উদ্দেশে তাদের নিজেদের ছেলেমেয়েদের আগুনে পুড়িয়ে উৎসর্গ করল।
32. তারা সদাপ্রভুর উপাসনা করত এবং পূজার উঁচু স্থানের মন্দিরগুলোতে পুরোহিতের কাজ করবার জন্য নিজেদের মধ্য থেকে লোক নিযুক্ত করল।
33. তারা সদাপ্রভুর উপাসনা করত, কিন্তু সেই সংগে যে সব দেশ থেকে তাদের নিয়ে আসা হয়েছিল সেই সব দেশের নিয়ম অনুসারে তারা নিজের নিজের দেবতারও পূজা করত।
34. আজ পর্যন্ত তারা ঐ নিয়ম মেনে চলছে। তারা আসলে সদাপ্রভুর উপাসনা করে না, কারণ সদাপ্রভু যে যাকোবের নাম ইস্রায়েল রেখেছিলেন সেই যাকোবের সন্তানদের কাছে সদাপ্রভুর দেওয়া নিয়ম, নির্দেশ, আইন এবং আদেশ তারা মেনে চলে না।
35. সদাপ্রভু ইস্রায়েলীয়দের জন্য ব্যবস্থা স্থাপন করবার সময় তাদের এই আদেশ দিয়েছিলেন, “তোমরা কোন দেব-দেবতার পূজা করবে না কিম্বা তাদের কাছে মাথা নীচু করবে না এবং তাদের সেবা কিম্বা তাদের উদ্দেশে উৎসর্গ করবে না।
36. কিন্তু সদাপ্রভু, যিনি হাত বাড়িয়ে মহাশক্তিতে মিসর থেকে তোমাদের বের করে এনেছেন তোমরা তাঁরই উপাসনা করবে, তাঁর কাছেই মাথা নীচু করবে ও তাঁর উদ্দেশেই সব উৎসর্গ করবে।
37. তিনি যে সব নিয়ম, নির্দেশ, আইন ও আদেশ তোমাদের জন্য লিখে দিয়েছিলেন তা যত্নের সংগে পালন করবে। তোমরা দেব-দেবতার পূজা করবে না।
38. তোমাদের জন্য যে ব্যবস্থা আমি স্থাপন করেছি তা মনে রেখো; কোন দেব-দেবতার পূজা তোমরা করবে না,
39. বরং তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুরই উপাসনা করবে। তোমাদের সব শত্রুদের হাত থেকে তিনিই তোমাদের উদ্ধার করবেন।”
40. কিন্তু ঐ সব জাতিরা সেই কথায় কান না দিয়ে তাদের আগের অভ্যাস মতই চলতে লাগল।
41. তারা সদাপ্রভুর উপাসনাও করত আবার তাদের দেব-দেবতার পূজাও করত। আজও তাদের ছেলেমেয়ে ও নাতিপুতিরা তাদের পূর্বপুরুষদের মতই চলছে।