2-3. মোশি তাঁর স্ত্রী সিপ্পোরাকে মিসর দেশ থেকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন, আর যিথ্রো তাঁকে ও তাঁর দুই ছেলেকে নিজের কাছে রেখেছিলেন। মোশি বলেছিলেন, “আমি পরদেশে বাসিন্দা হয়ে আছি”; সেইজন্য তিনি তাঁর বড় ছেলের নাম দিয়েছিলেন গের্শোম।
13. পরের দিন মোশি লোকদের বিচার করবার জন্য বসলেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লোকেরা মোশির সামনে দাঁড়িয়ে রইল।
14. লোকদের নিয়ে মোশিকে এই সব করতে দেখে তাঁর শ্বশুর বললেন, “তুমি লোকদের নিয়ে এ কি করছ? তুমি কেন একা বিচার করতে বসেছ, আর সব লোক সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তোমার চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে? ”
15. এর উত্তরে মোশি তাঁর শ্বশুরকে বললেন, “ঈশ্বরের ইচ্ছা জানবার জন্যই লোকেরা আমার কাছে আসে।
16. কোন ঝগড়া-বিবাদ দেখা দিলে তারা আমার কাছে আসে আর আমি দু’পক্ষেরই বিচার করি, আর ঈশ্বরের নিয়ম ও নির্দেশ তাদের বুঝিয়ে দিই।”
17. তখন মোশির শ্বশুর বললেন, “তুমি যেভাবে তা করছ তা ভাল নয়।
18. এতে তুমি ও তোমার লোকেরা নিশ্চয়ই ক্লান্ত হয়ে পড়বে। কাজটা এত ভারী যে, তোমার একার পক্ষে তা করা সম্ভব নয়।
19. এবার আমার একটা পরামর্শ শোন, আর তাতে ঈশ্বরও তোমার সংগে থাকবেন। তুমি বরং ঈশ্বরের কাছে লোকদের প্রতিনিধি হয়ে লোকদের ঝগড়া-বিবাদ ঈশ্বরের সামনে নিয়ে যেয়ো।
20. তারপর তুমি তাঁর সমস্ত নিয়ম ও নির্দেশ সম্বন্ধে তাদের হুঁশিয়ার করে দেবে। এছাড়া কিভাবে চলতে হবে এবং কি কাজ তাদের করতে হবে তা তুমি তাদের বুঝিয়ে দেবে।
21. তুমি সমস্ত লোকদের মধ্য থেকে এমন সব যোগ্য লোকদের বেছে নেবে যারা ঈশ্বরভক্ত, সত্যবাদী এবং অন্যায় লাভ ঘৃণা করে। তাদের তুমি লোকদের নেতা হিসাবে নিযুক্ত করবে- কাউকে কাউকে হাজারের উপর, কাউকে কাউকে শয়ের উপর, কাউকে কাউকে পঞ্চাশের উপর এবং কাউকে কাউকে দশের উপর।
22. এরাই সব সময় লোকদের বিচার করবে। ছোটখাটো ব্যাপারের বিচার তারা করবে আর বড় বড় ব্যাপারগুলো তোমার কাছে আনবে। এতে তোমার কাজ সহজ হবে কারণ তারাও তোমার বোঝার কিছুটা বইবে।