14. পরে বাদশাহ্ মুখ ফিরিয়ে সমস্ত ইসরাইল-সমাজকে দোয়া করলেন; আর সমস্ত ইসরাইল-সমাজ দণ্ডায়মান হল।
15. আর তিনি বললেন, মাবুদ ধন্য হোন, ইসরাইলের আল্লাহ্। তিনি আমার পিতা দাউদের কাছে নিজের মুখে এই কথা বলেছিলেন এবং নিজের হাত দিয়ে এটা সফল করেছেন,
16. যথা, যেদিন আমার লোক ইসরাইলকে মিসর থেকে বের করে এনেছি, সেদিন থেকে আমি আমার নাম স্থাপনের জন্য গৃহ নির্মাণার্থে ইসরাইলের সমস্ত বংশের মধ্যে কোন নগর মনোনীত করি নি; কিন্তু আমার লোক ইসরাইলের নেতা হবার জন্য দাউদকে মনোনীত করেছি।
17. আর ইসরাইলের আল্লাহ্ মাবুদের নামের উদ্দেশে একটি গৃহ নির্মাণ করতে আমার পিতা দাউদের বাসনা ছিল।
18. কিন্তু মাবুদ আমার পিতা দাউদকে বললেন, আমার নামের উদ্দেশে একটি গৃহ নির্মাণ করতে তোমার বাসনা হয়েছে; তোমার এরকম মনস্থ করা ভালই বটে।
19. তবুও তুমি সেই গৃহ নির্মাণ করবে না, কিন্তু তোমার বংশ থেকে উৎপন্ন পুত্রই আমার নামের উদ্দেশে গৃহ নির্মাণ করবে।
20. মাবুদ এই যে কথা বলেছিলেন, তা সফল করলেন; মাবুদের ওয়াদা অনুসারে আমি আমার পিতা দাউদের পদ লাভ করে ও ইসরাইলের সিংহাসনে উপবিষ্ট হয়ে ইসরাইলের আল্লাহ্ মাবুদের নামের উদ্দেশে এই গৃহ নির্মাণ করেছি।
21. আর মাবুদ আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে মিসর দেশ থেকে বের করার সময়ে তাদের সঙ্গে যে নিয়ম করেছিলেন, তার আধার যে সিন্দুক, সেই সিন্দুকের জন্য আমি এখানে একটি স্থান নির্ধারণ করেছি।
22. পরে সোলায়মান সমস্ত ইসরাইল-সমাজের সাক্ষাতে মাবুদের কোরবানগাহ্র সম্মুখে দাঁড়িয়ে বেহেশতের দিকে দু’হাত তুললেন;
23. আর তিনি বললেন, হে মাবুদ, ইসরাইলের আল্লাহ্, উপরিস্থ বেহেশতে বা নিচস্থ দুনিয়াতে তোমার মত আর আল্লাহ্ নেই। সর্বান্তঃকরণে যারা তোমার সাক্ষাতে চলে, তোমার সেই গোলামদের পক্ষে তুমি নিয়ম পালন ও অটল মহব্বত প্রকাশ করে থাক;
24. তুমি তোমার গোলাম আমার পিতা দাউদের কাছে যা ওয়াদা করেছিলে তা পালন করেছ, যা নিজের মুখে বলেছিলে তা নিজের হাতে সিদ্ধ করেছ, যেমন আজ দেখা যাচ্ছে।
25. এখন, হে মাবুদ, ইসরাইলের আল্লাহ্, তুমি তোমার গোলাম আমার পিতা দাউদের কাছে যা ওয়াদা করেছিলে, তা রক্ষা কর; তুমি বলেছিলে, আমার দৃষ্টিতে ইসরাইলের সিংহাসনে বসতে তোমার (বংশে) লোকের অভাব হবে না; কেবলমাত্র যদি আমার সাক্ষাতে তুমি যেমন চলেছ, তোমার সন্তানরা আমার সাক্ষাতে তেমনি চলবার জন্য যার যার পথে সাবধান থাকে।