2. এই লোকদের প্রতি আমার করুণা হচ্ছে; কেননা এরা আজ তিন দিন আমার সঙ্গে সঙ্গে রয়েছে এবং এদের কাছে কোন খাবার নেই।
3. আর আমি যদি এদেরকে অনাহারে বাড়িতে বিদায় করি, তবে এরা পথে মূর্চ্ছা পড়বে; আবার এদের মধ্যে কেউ কেউ দূর থেকে এসেছে।
4. জবাবে তাঁর সাহাবীরা বললেন, এখানে মরুভূমির মধ্যে কে কোথা থেকে রুটি দিয়ে এসব লোককে তৃপ্ত করতে পারবে?
5. তিনি তাঁদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমাদের কাছে কয়খানা রুটি আছে? তাঁরা বললেন, সাতখানা।
6. পরে তিনি লোকদেরকে ভূমিতে বসতে হুকুম করলেন এবং সেই সাতখানি রুটি নিয়ে শুকরিয়াপূর্বক ভেঙ্গে লোকদের সম্মুখে রাখার জন্য সাহাবীদেরকে দিতে লাগলেন; তাঁরা লোকদের সম্মুখে রাখলেন।
7. তাঁদের কাছে কয়েকটি ছোট ছোট মাছও ছিল, তিনি দোয়া করে সেগুলোও লোকদের সম্মুখে রাখতে বললেন।
8. তাতে লোকেরা আহার করে তৃপ্ত হল এবং তাঁরা অবশিষ্ট গুঁড়াগাঁড়া সাত ঝুড়ি তুলে নিলেন।
9. সেখানে কমবেশ চার হাজার লোক ছিল; পরে তিনি তাদেরকে বিদায় করলেন।
10. আর তখনই তিনি সাহাবীদের সঙ্গে নৌকায় উঠে দল্মনুথা প্রদেশে আসলেন।
11. পরে ফরীশীরা বাইরে এসে তাঁর সঙ্গে বাদানুবাদ করতে লাগল, পরীক্ষা করার জন্য তাঁর কাছে আসমান থেকে একটি চিহ্ন দেখতে চাইলো।
12. তখন তিনি রূহে দীর্ঘ নিশ্বাস ছেড়ে বললেন, এই কালের লোকেরা কেন চিহ্নের খোঁজ করে? আমি তোমাদেরকে সত্যি বলছি, এই লোকদেরকে কোন চিহ্ন-কাজ দেখানো যাবে না।
13. পরে তিনি তাদেরকে ছেড়ে আবার নৌকায় উঠে অন্য পারে গেলেন।
14. আর সাহাবীরা রুটি নিতে ভুলে গিয়েছিলেন, নৌকায় তাঁদের কাছে কেবল একখানি ছাড়া আর রুটি ছিল না।
15. পরে তিনি তাঁদেরকে হুকুম করলেন, সাবধান, তোমরা ফরীশীদের খামির বিষয়ে ও হেরোদের খামির বিষয়ে সাবধান থেকো।
16. তাতে তাঁরা পরস্পর তর্ক করে বলতে লাগলেন, আমাদের কাছে তো রুটি নেই।
17. তা বুঝে ঈসা তাঁদেরকে বললেন, তোমাদের রুটি নেই বলে কেন তর্ক করছো? তোমরা কি এখনও কিছু জানতে পারছো না, বুঝতে পারছো না? তোমাদের অন্তঃকরণ কি কঠিন হয়ে রয়েছে?
18. চোখ থাকতে কি দেখতে পাও না? কান থাকতে কি শুনতে পাও না? আর মনেও কি পড়ে না?