15. যাতে কেউ বলতে না পারে যে, তোমরা আমার নামে তরিকাবন্দী নিয়েছ।
16. অবশ্য স্তিফানের পরিবারের লোকদেরও আমি তরিকাবন্দী দিয়েছি, কিন্তু তা ছাড়া আর কাউকে তরিকাবন্দী দিয়েছি বলে আমার মনে পড়ে না।
17. মসীহ্ আমাকে তরিকাবন্দী দিতে পাঠান নি বরং সুসংবাদ তবলিগ করবার জন্যই পাঠিয়েছেন। সেই সুসংবাদ তিনি আমাকে জ্ঞানীদের ভাষায় তবলিগ করতে পাঠান নি, যেন মসীহের ক্রুশীয় মৃত্যু শক্তিহীন হয়ে না পড়ে।
18. যারা ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের কাছে মসীহের সেই ক্রুশীয় মৃত্যুর কথা মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয়; কিন্তু আমরা যারা নাজাতের পথে এগিয়ে যাচ্ছি আমাদের কাছে তা আল্লাহ্র শক্তি।
19. পাক-কিতাবে লেখা আছে, “আমি জ্ঞানীদের জ্ঞান নষ্ট করব, বুদ্ধিমানদের বুদ্ধি বিফল করব।”
20. কিন্তু জ্ঞানী লোক কোথায়? আলেমই বা কোথায়? আর যার তর্ক করবার ক্ষমতা আছে এই যুগের সেই রকম লোকই বা কোথায়? এই দুনিয়ার জ্ঞান যে কেবল মূর্খতা তা কি আল্লাহ্ দেখান নি?
21. আল্লাহ্ তাঁর নিজের জ্ঞানে স্থির করেছেন বলেই দুনিয়া তার নিজের জ্ঞান দিয়ে আল্লাহ্কে জানতে পারে নি। এইজন্য সুসংবাদের মূর্খতা দিয়ে ঈমানদারদের নাজাত করা আল্লাহ্ ভাল মনে করলেন।